সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক।। যাত্রা শিল্পে এক সময় যশোর ছিল সারা দেশের মধ্যে নাম করা। ৭০ এবং ৮০ দশকে যশোরে যাত্রা শিল্পের নট সম্রাজ্ঞী শবরী দাস ছিলেন, সারা দেশে নামকরা। তিনি পিতার অনুপ্রেরণা, গোপাল চন্দ্র পান্ডের সহযোগিতায় প্রথম পদার্পণ করে ‘ভাগ্যলক্ষ্মী অপেরায়’।
প্রথমবার ব্যর্থ হলেও পরবর্তীকালে ‘গীতশ্রী অপেরায়’ ‘নবাররুণ নাট্য সংস্থা’ ‘দিপালী অপেরা’ ‘শিরিন যাত্রা ইউনিট’, সর্বশেষ স্বামীর প্রতিষ্ঠিত ‘তুষার অপেরায়’ সুদীর্ঘকাল সুনামের সঙ্গে অভিনয় করে এসেছেন।
তাঁর অভিনীত ‘লোহার জাল’, ‘নিহত গোলাপ’, ‘বিদূষী ভার্যা’, ‘ক্লিওপেট্রা’, ‘বধু চন্দন’, ‘একটি পয়সা’, ‘মা মাটি মানুষ’, ‘একটি পয়সা দাও’, ‘মা হলো বন্দী’, ‘ফেরারী খুনি’, ‘মার্ডার’, ‘সমাজ’, সাবিত্রী সত্যবান’, ‘বিরাজ বৌ’, প্রভৃতি যাত্রা উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া সেই সময়ের আড়োলন সৃষ্টিকারী যাত্রাপালা ‘দস্যুরাণী ফুলন দেবী’, ‘বিদূষী ভার্যা’,‘নিহত গোলাপ’, ‘ক্লিওপেট্রা’, যাত্রাপালার অভিনয় ক্ষেত্রে জাতীয় যাত্রা উৎসবে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসাবে পুরস্কৃত হন। পরপর তিন বছর ১৯৭৭-১৯৭৮, ১৯৭৮-১৯৭৯ ও ১৯৭৯-১৯৮০।


0 Comments