নজরুল। যশোরের মানুষ তাঁকে ডাকতেন ‘গুরু’ বলে। প্রচন্ড মেধাবী। ৩০ বছর আগে একটু পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরও বড় শিল্পী হতে পারতেন।
গানকে ভালোবেসে সারাজীবন একাই থেকে গেলেন। মুলত ব্যান্ড সংগীত গাইতেন ‘গুরু’। অনেক সময় গানের মুল শব্দ বাদ দিয়ে সুর ঠিক রেখে নিজের পছন্দ মত শব্দ বসিয়ে দিয়ে গান করতেন।
সেই শব্দ গুলোর মধ্যে অনেক সময় খারাপ শব্দও ব্যবহার করতেন- শ্রোতাদের মজা দেয়ার জন্য। অনেক শ্রোতা তা বুঝতে পারতেন না।
তাঁর গান শ্রোতারা মন্ত্র মুগ্ধের মত শ্রবণ করতেন। সবচেয়ে কষ্টের কথা মঞ্চে ছন্দ সুরের ঢেউ জাগানো এ ব্যান্ড শিল্পী করোনা পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
আয়ের কোনো পথ খোলা না থাকায় নিজ এলাকায় নাইট ডিউটি দিয়ে জীবীকা নির্বাহ করছিলেন এ শিল্পী। জীবনের অনেক সময় পার করে এসে করোনা পরিস্থিতির এ অসহায়ত্বে নজরুল গুরু মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন।
এসময় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলেও অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেননি তিনি। অবশেষে মাস তিনেকের অসুস্থতা শেষে পরপারে পাড়ি জমালেন তিনি। তাঁর বাড়ি নড়াইল হলেও তিনি যশোর শহরের মোল্লাপাড়ায় ভাড়া বাড়িতে বাস করতেন। -সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক।


0 Comments